1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজি: উমামা বললেন, তাদের ‘শেকড়’ অনেক গভীরে - Janatar Jagoron

সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজি: উমামা বললেন, তাদের ‘শেকড়’ অনেক গভীরে

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫
  • ১১৯ বার পঠিত
উমামা

আন্দোলনের মুখোশ খুলে দিলেন উমামা, ফাঁস চাঁদাবাজির চক্র!
অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগ নেত্রী ও সাবেক এমপি শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদাবাজির অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাসহ পাঁচজন আটক হওয়ার ঘটনায় সরগরম হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। বিষয়টি নিয়ে এক জোরালো অবস্থান নিয়েছেন সংগঠনটির সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা।

গতকাল শনিবার (২৬ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আটক পাঁচজনের ছবিসহ একটি পোস্টে উমামা লিখেছেন, এই প্রথম চাঁদাবাজি করতে গিয়ে তারা পুলিশের জালে পড়েছে। একটু খোঁজ নিলেই বোঝা যাবে, এদের শিকড় অনেক গভীরে।

তিনি লেখেন, পাঁচজনের এই ঘটনায় আমার পরিচিতজনেরা এমনভাবে চমকে উঠছেন, যেন আমি-ই সবচেয়ে কম অবাক হয়েছি। এদের তো সব সময় নেতাদের পেছনে প্রটোকল দিতে দেখা যেত। সচিবালয় থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট, মিছিল-মিটিং—সব জায়গায় ছিল এদের সরব উপস্থিতি। অভ্যন্তরীণভাবে গুলশান-বনানী গ্যাং কালচারের অসংখ্য অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে।

ছবিতে থাকা রিয়াদ নামের ছেলেটি গত ডিসেম্বরে রূপায়ন টাওয়ারে আমার সামনেই ভয়ংকর উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেছিল। আমরা মেয়েরা বাধা দিতে গেলে সে আমাদের দিকেই চড়াও হয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, আগেও তার বিরুদ্ধে হুমকি, মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ছিল। এতে মোটেও অবাক হইনি, কারণ এতদিনে বৈষম্যবিরোধী প্ল্যাটফর্মে এই ধরনের চরিত্রের অবাধ বিচরণ ছিলই। রূপায়ন টাওয়ারে তাদের যাতায়াত ছিল নিয়মিত। দুর্নীতি বা অনৈতিক আচরণের কথা বললে সবাই চুপ করে যেত। আর আমি দেখেছি, দিনের শেষে এই লোকগুলো কেমনভাবে সবকিছুতে প্রবেশাধিকার পেয়ে যেত।

আজ অনেক মাস পর সেই প্ল্যাটফর্মের দিকে তাকালে ভাষা হারিয়ে ফেলি। যে যেভাবে পেরেছে, এই প্ল্যাটফর্মকে কলুষিত করেছে।

উমামা লেখেন, ইসস! মানুষ কতটা “নিষ্পাপ”! সদ্যজাত শিশুর মতো তারা যেন আজই প্রথম বুঝলেন—এই ছেলেগুলো চাঁদাবাজি করে! খুবই দুঃখজনক হলেও সত্যি, এই প্রথমবার তারা পুলিশের হাতে ধরা পড়ল। ঠিকমতো খোঁজ নিলেই বোঝা যাবে—এদের শেকড় অনেক, অনেক গভীরে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..